Trust img
Select City

কলকাতায় আইভিএফ চিকিৎসা

অনেক স্বপ্নের শুরু হয় একটি ছোট্ট অপেক্ষা থেকে। মাসের পর মাস কেটে যায়। প্রতিবার নতুন আশায় অপেক্ষা, তারপর আবার হতাশা। পরিবারের প্রশ্ন, আত্মীয়দের কৌতূহল, সমাজের অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য এবং নিজের ভেতরের অপরাধবোধ, সব মিলিয়ে সন্তান না হওয়ার কষ্ট অনেক দম্পতির জীবনে গভীর মানসিক চাপ তৈরি করে। অনেকেই মনে করেন সমস্যাটি হয়তো সাময়িক। কেউ আবার বছরের পর বছর অপেক্ষা করেন, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত সুখবর আর আসে না। বাস্তবে বন্ধ্যাত্ব একটি চিকিৎসাযোগ্য স্বাস্থ্য সমস্যা, এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে অনেক ক্ষেত্রেই সফলভাবে সন্তান ধারণ সম্ভব। বর্তমানে আইভিএফ চিকিৎসা (IVF Treatment) আধুনিক প্রজনন চিকিৎসার অন্যতম কার্যকর পদ্ধতি। উন্নত প্রযুক্তি, দক্ষ ফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞ এবং আন্তর্জাতিক মানের ল্যাবের সাহায্যে অসংখ্য দম্পতি বাবা-মা হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করেছেন।

Get Your Treatment Cost Estimate

Tell us what treatment you're considering.

No obligation 100% confidential Priority Callback
+91
whatsapp Whatsapp

By submitting, you agree to be contacted about your treatment. Your details stay private and are never shared. Privacy policy

আইভিএফ চিকিৎসার ধাপ

চিকিৎসার একদম প্রথম ধাপে দম্পতি বিড়লা ফার্টিলিটির অভিজ্ঞ ফার্টিলিটি চিকিৎসকদের সাথে সরাসরি দেখা করেন। চিকিৎসক তাদের পুরোনো সমস্ত চিকিৎসার ইতিহাস, পারিবারিক রোগ এবং বর্তমান শারীরিক অবস্থা খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখেন এবং তাদের মানসিক শক্তি জোগান।

IVF কি?

আইভিএফ বা ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন হলো একটি অত্যন্ত উন্নত চিকিৎসা প্রযুক্তি, যাকে সাধারণ ভাষায় ল্যাবরেটরিতে ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলন ঘটানোর প্রক্রিয়া বলা হয়।

স্বাভাবিক প্রজনন প্রক্রিয়ায় একজন নারীর শরীরে ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু নির্গত হয়ে ফেলোপিয়ান টিউবে আসে। সেখানে পুরুষের শুক্রাণুর সাথে মিলিত হয়ে ভ্রূণ তৈরি হয় এবং সেই ভ্রূণটি গিয়ে জরায়ুতে গেঁথে বসে, যা পরবর্তীতে একটি সুস্থ শিশুর রূপ নেয়। কিন্তু নানা শারীরিক সমস্যার কারণে যদি এই স্বাভাবিক মিলন ঘটতে না পারে, তখন চিকিৎসার মাধ্যমে শরীরের বাইরে ল্যাবরেটরির সম্পূর্ণ নিরাপদ পরিবেশে ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলন ঘটানো হয়। যখন সেখানে একটি স্বাস্থ্যকর ভ্রূণ তৈরি হয়, তখন চিকিৎসকরা সেটিকে যত্ন সহকারে নারীর জরায়ুতে বসিয়ে দেন।

শারীরিক অবস্থাটি বোঝা

অনেকের মনেই ধারণা থাকে যে বন্ধ্যাত্ব মানেই জীবনের সব আশা শেষ। কিন্তু সত্যি বলতে এটি একেবারেই কোনো স্থায়ী রোগ নয়, বরং এটি শরীরের একটি সাময়িক চিকিৎসায় সারিয়ে তোলার মতো অবস্থা। প্রধানত দুই ধরনের ইনফার্টিলিটি দেখা যায়:

  • প্রাথমিক বন্ধ্যাত্ব: যেসব দম্পতি কোনোদিন অন্তত একবারের জন্যও গর্ভধারণ করতে পারেননি।
  • মাধ্যমিক বন্ধ্যাত্ব: পূর্বে অন্তত একবার সফল গর্ভধারণ বা সন্তানের জন্ম হলেও পরবর্তীতে পুনরায় সন্তান নিতে গিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হওয়া।

যেভাবে এটি প্রজনন স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে

আমাদের রিপ্রোডাক্টিভ হেলথ বা প্রজনন স্বাস্থ্য যদি সঠিক না থাকে, তবে তার প্রভাব পড়ে সন্তান ধারণ ক্ষমতার ওপর। নারীদের ক্ষেত্রে সময়মতো ডিম্বাণু তৈরি না হওয়া, ফেলোপিয়ান টিউবে ব্লক থাকা বা জরায়ুর ভেতর অভ্যন্তরীণ পরিবেশ ভালো না থাকা গর্ভধারণের মূল বাধা হয়ে দাঁড়ায়। অন্যদিকে পুরুষদের ক্ষেত্রে শুক্রাণুর সংখ্যা কম থাকা বা শুক্রাণু দুর্বল হওয়ার ফলে তা ডিম্বাণু পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না।

আইভিএফ পদ্ধতি মূলত এই শারীরিক বাধাগুলোকে সম্পূর্ণ বাইপাস বা অতিক্রম করে কাজ করে। এর মাধ্যমে প্রজননতন্ত্রের জটিলতাগুলো এড়িয়ে সরাসরি ল্যাবরেটরিতে একটি সুস্থ ভ্রূণ গঠন করে গর্ভধারণ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

কাদের জন্য IVF প্রয়োজন?

আইভিএফ হলো বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার একটি অতি আধুনিক পর্যায়। সব দম্পতির শুরুতেই আইভিএফ করার প্রয়োজন পড়ে না। প্রাথমিক ওষুধ, হরমোন থেরাপি কিংবা আইইউআই চিকিৎসার মাধ্যমে সমাধান না হলেই কেবল অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা আইভিএফ-এর পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

যেসব শারীরিক অবস্থায় এটি করার পরামর্শ দেওয়া হয়

  • ক্ষতিগ্রস্ত বা বন্ধ ফেলোপিয়ান টিউব: যদি কোনো নারীর দুটি ফেলোপিয়ান টিউবই পুরোপুরি ব্লক থাকে, তবে ডিম্বাণু ও শুক্রাণু একত্রিত হওয়ার কোনো পথ থাকে না। এক্ষেত্রে আইভিএফই একমাত্র কার্যকর সমাধান।
  • এন্ডোমেট্রিওসিস: এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে জরায়ুর ভেতরের টিস্যু জরায়ুর বাইরে বাড়তে শুরু করে। এর ফলে জরায়ু, ডিম্বাশয় ও টিউব মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
  • পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম: এই হরমোনজনিত সমস্যার কারণে সময়মতো ডিম্বাণু পরিপক্ক হয়ে বের হতে পারে না। দীর্ঘদিন ওষুধ খেয়েও কাজ না হলে আইভিএফ সাহায্য করতে পারে।
  • পুরুষের বন্ধ্যাত্ব জনিত সমস্যা: পুরুষের বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা অনেক কম থাকলে, শুক্রাণুর সাঁতার কাটার ক্ষমতা কম থাকলে কিংবা আকার অস্বাভাবিক হলে স্বাভাবিক গর্ভধারণ কঠিন হয়ে পড়ে।
  • অব্যক্ত বন্ধ্যাত্ব: অনেক সময় দেখা যায় নারী ও পুরুষ উভয়ের সমস্ত পরীক্ষার রিপোর্ট সম্পূর্ণ সাধারণ আসা সত্ত্বেও গর্ভধারণ হচ্ছে না। এই অজানা বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসাতেও আইভিএফ অত্যন্ত সফল।

আপনার ডাক্তার কখন IVF-এর পরামর্শ দিতে পারেন

যখন দম্পতির স্বাভাবিক উপায়ে সন্তান লাভের সব ধরনের চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসাসমূহ যেমন ডিম্বাণু স্ফুটনের ওষুধ বা আইইউআই চিকিৎসা সফল হয় না, তখন চিকিৎসকরা আর সময় নষ্ট না করে আইভিএফ করার সিদ্ধান্ত নেন। এছাড়া চিকিৎসার্থীর বয়স যদি বেশি হয়, তবে শুরুতেই আইভিএফ করার পরামর্শ দেওয়া হতে পারে।

কারা আইভিএফ চিকিৎসার জন্য উপযুক্ত?

সব বন্ধ্যাত্বের ক্ষেত্রে আইভিএফ প্রয়োজন হয় না। অনেক সময় ওষুধ, জীবনযাত্রার পরিবর্তন বা IUI-এর মতো চিকিৎসায়ও সফল গর্ভধারণ সম্ভব। তবে নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে আইভিএফ চিকিৎসা সবচেয়ে কার্যকর বিকল্প হতে পারে। চিকিৎসক রোগীর বয়স, স্বাস্থ্য, পরীক্ষার ফলাফল এবং বন্ধ্যাত্বের কারণ মূল্যায়ন করে উপযুক্ত চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেন।

নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে

নিম্নলিখিত অবস্থায় একজন নারী কলকাতায় আইভিএফ চিকিৎসা থেকে উপকৃত হতে পারেন—

  • দুই বা একাধিক ফ্যালোপিয়ান টিউব ব্লক বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে
  • পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS)-এর কারণে দীর্ঘদিন গর্ভধারণ না হলে
  • এন্ডোমেট্রিওসিস থাকলে
  • ডিম্বাশয়ের রিজার্ভ (Ovarian Reserve) কমে গেলে
  • বয়স ৩৫ বছরের বেশি হলে এবং স্বাভাবিকভাবে গর্ভধারণে সমস্যা হলে
  • বারবার গর্ভপাতের ইতিহাস থাকলে
  • পূর্ববর্তী ফার্টিলিটি চিকিৎসা ব্যর্থ হলে

পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে

বন্ধ্যাত্বের সমস্যা শুধুমাত্র নারীদের নয়। প্রায় অর্ধেক ক্ষেত্রে পুরুষের প্রজনন সমস্যাও এর জন্য দায়ী হতে পারে। আইভিএফ প্রয়োজন হতে পারে যদি—

  • শুক্রাণুর সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কম হয়
  • শুক্রাণুর চলাচলের ক্ষমতা (Motility) কম থাকে
  • শুক্রাণুর গঠন (Morphology) অস্বাভাবিক হয়
  • বীর্যে শুক্রাণু না থাকলেও অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সংগ্রহ করা সম্ভব হয়
  • পূর্বে ভ্যাসেকটমি করা হয়ে থাকলে এবং সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকে

যেসব দম্পতির বন্ধ্যাত্বের সমস্যা রয়েছে

যেসব দম্পতি দীর্ঘদিন চেষ্টা করার পরও সন্তান ধারণ করতে পারছেন না অথবা যাদের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, তাদের জন্যও আইভিএফ একটি কার্যকর সমাধান হতে পারে।

IVF-এর সাফল্যের হার

বিগত কয়েক বছরে প্রযুক্তির উন্নতির কল্যাণে আইভিএফ চিকিৎসায় সাফল্যের হার অভূতপূর্বভাবে বেড়েছে। কলকাতায় বসেই এখন বিশ্বমানের চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে।

কোন বিষয়গুলো সাফল্যের হারকে প্রভাবিত করে? 

  • বয়স: চিকিৎসার্থীর বয়স সাফল্যের সবচেয়ে বড় নিয়ামক। নারীর বয়স ৩৫ বছরের নিচে হলে প্রথমবারেই গর্ভধারণের সম্ভাবনা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ বা তারও বেশি থাকে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে ডিম্বাণুর মান কমতে থাকে।
  • ভ্রূণের গুণগত মান: ল্যাবরেটরিতে ভ্রূণ কতটা শক্তিশালী ও সুস্থভাবে গড়ে উঠেছে তার ওপর সাফল্য নির্ভর করে।
  • লাইফস্টাইল বা জীবনযাত্রা: ধূমপান, মদ্যপান, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত মেদ এবং মানসিক চাপ সাফল্যের হার কমিয়ে দিতে পারে।
  • জরায়ুর অভ্যন্তরীণ পরিবেশ: জরায়ুর ভেতরের টিস্যুর গুরুত্ব অপরিসীম। জরায়ু যদি ভ্রূণকে সঠিক পুষ্টি দিতে পারে, তবে প্রতিস্থাপন সফল হয়।

কিভাবে সাফল্যের হার বাড়ানো যায়

  • প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই পুষ্টিকর ও ভারসাম্যপূর্ণ খাবার খান। অতিরিক্ত তেল-ঝাল-মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।
  • ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন, কারণ অতিরিক্ত ওজন হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে।
  • চিকিৎসকের দেওয়া প্রতিটি ওষুধ এবং ইনজেকশন নিয়ম মেনে সঠিক সময়ে নিন।
  • ধূমপান, অ্যালকোহল ও ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় খাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করুন।
  • সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মানসিক চাপ মুক্ত থাকুন। ইতিবাচক চিন্তা আপনার শরীরের হরমোনকে সঠিক রাখতে সাহায্য করবে।

চিকিৎসার জন্য কেন বেছে নেবেন বিরলা ফার্টিলিটি অ্যান্ড আইভিএফ? কলকাতা

পরিবার গঠনের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে সঠিক ফার্টিলিটি ক্লিনিক নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। Birla Fertility & IVF-এ আমরা ব্যক্তিগতকৃত (Personalized Care) চিকিৎসা পরিষেবার মাধ্যমে অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে প্রতিটি ধাপে আপনাকে সহায়তা করি। আমাদের অত্যাধুনিক ল্যাব, উন্নত প্রযুক্তি এবং উচ্চ সাফল্যের হারের ফলে ২,৩০,০০০-এরও বেশি রোগীকে অভিভাবক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে সাহায্য করেছি।

IVF-এর সুবিধাসমূহ

  • বন্ধ্যাত্ব জয়ের সর্বোচ্চ সুযোগ: অন্যান্য সমস্ত সাধারণ চিকিৎসা ব্যর্থ হলেও আইভিএফ সন্তান এনে দিতে পারে।
  • জেনেটিক রোগ প্রতিরোধ: ভ্রূণ প্রতিস্থাপনের আগেই তার জেনেটিক পরীক্ষা করা সম্ভব। এর ফলে বাবা-মায়ের শরীরের কোনো মারাত্মক বংশগত রোগ সন্তানের শরীরে যাওয়া থেকে আটকে দেওয়া যায়।
  • ডোনর ব্যবহারের সুবিধা: যদি কোনো চিকিৎসার্থীর ডিম্বাণু বা শুক্রাণু একেবারেই না থাকে, তবে ডোনরের সাহায্য নিয়ে সন্তান লাভ সম্ভব।
  • ভ্রূণ সংরক্ষণ: প্রয়োজনের অতিরিক্ত ভালো ভ্রূণ তৈরি হলে তা কোল্ড স্টোরেজে দীর্ঘদিন বরফ দিয়ে সংরক্ষিত করে রাখা যায়, যাতে ভবিষ্যতে দ্বিতীয় সন্তানের জন্য পুনরায় ইনজেকশন নিতে না হয়।

আইভিএফ চিকিৎসার ঝুঁকি ও সম্ভাব্য জটিলতা

আইভিএফ প্রক্রিয়াটি বৈজ্ঞানিকভাবে সম্পূর্ণ নিরাপদ। তবে কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসাধীন ব্যক্তির শরীরে ছোটখাটো প্রতিক্রিয়া হতে পারে:

  • ওভারিয়ান হাইপারস্টিমুলেশন সিন্ড্রোম: অতিরিক্ত হরমোন ইনজেকশনের কারণে কখনো কখনো ডিম্বাশয় সাময়িকভাবে ফুলে যেতে পারে এবং পেটে অস্বস্তি হতে পারে। তবে সঠিক পর্যবেক্ষণে থাকলে এটি সহজেই সেরে যায়।
  • একাধিক গর্ভধারণ: চিকিৎসকরা যদি জরায়ুতে একাধিক ভ্রূণ স্থানান্তর করেন, তবে যমজ বা তিনটি সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • একটোপিক গর্ভাবস্থা: খুব বিরল ক্ষেত্রে ভ্রূণ জরায়ুর ভেতরে না বসে ফেলোপিয়ান টিউবে গেঁথে যেতে পারে, যাকে চিকিৎসায় সাথে সাথে সরিয়ে ফেলতে হয়।

আইভিএফ চিকিৎসার পর রিকভারি এবং পরবর্তী যত্ন

ভ্রূণ প্রতিস্থাপনের পর নারীর জন্য বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হয়:

  • স্বাভাবিক জীবনযাপন: ভ্রূণ প্রতিস্থাপনের পর সারাদিন বিছানায় শুয়ে থাকার কোনো প্রয়োজন নেই। স্বাভাবিক হাঁটাচলা ও হালকা কাজ করা সম্পূর্ণ নিরাপদ। তবে ভারী বস্তু তোলা, দৌড়াদৌড়ি বা কঠোর পরিশ্রম এড়িয়ে চলা ভালো।
  • পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম: শরীরকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিন এবং প্রতিদিন রাতে অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ভালো করে ঘুমান।
  • প্রেগন্যান্সি টেস্ট: ভ্রূণ বসানোর ঠিক ১৪ দিন পর রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে আপনি গর্ভবতী কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়। এই সময়টুকু ধৈর্য ধরে ডাক্তারের নির্দেশ মেনে চলা উচিত।

কলকাতায় IVF-এর জন্য কেন বিড়লা ফার্টিলিটি বেছে নেবেন?

আপনি যদি কলকাতায় সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও উন্নত বিড়লা ফার্টিলিটি অ্যান্ড আইভিএফ ক্লিনিকের সেবা পেতে চান, তবে এখানে পাবেন পরিবারের মতো যত্ন ও বিশ্বমানের চিকিৎসা ব্যবস্থা। সঠিক মূল্যে কলকাতায় সবথেকে নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা দিতে আমরা বদ্ধপরিকর।

অভিজ্ঞ ফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞ

আমাদের সংস্থায় রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সেরা ফার্টিলিটি চিকিৎসকদের একটি দল। তারা অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে প্রতিটি দম্পতির কথা শোনেন এবং সঠিক পথ দেখান।

উন্নত ডায়াগনস্টিক প্রযুক্তি

সঠিক চিকিৎসার মূল চাবিকাঠি হলো রোগ নির্ভুলভাবে ধরা পড়া। আমাদের সেন্টারে রয়েছে আধুনিকতম আল্ট্রাসাউন্ড মেশিন এবং প্যাথলজি ল্যাব, যা একদম নিখুঁত রিপোর্ট প্রদান করে।

প্রমাণ-ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি

আমরা কোনো আন্দাজ বা ধারণার ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা করি না। আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণিত ও গবেষণালব্ধ বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়, যা সাফল্যের সম্ভাবনাকে দ্বিগুণ করে তোলে।

অত্যাধুনিক IVF ল্যাবরেটরি

আমাদের আইভিএফ ল্যাবরেটরি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে তৈরি। বায়ুর পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে তাপমাত্রা—সবকিছুই বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়, যাতে ল্যাবে ভ্রূণ একদম মায়ের পেটের মতো সুরক্ষিত থাকে।

ব্যক্তিগতকৃত ফার্টিলিটি সেবা

আমরা বিশ্বাস করি যে প্রতিটি মানুষের শারীরিক গঠন ও সমস্যা আলাদা। তাই সবার জন্য এক নিয়ম না রেখে, আমরা প্রতিটি রোগীর জন্য আলাদা পার্সোনালাইজড ট্রিটমেন্ট প্ল্যান তৈরি করি। আমাদের চিকিৎসা খরচে কোনো গোপনীয়তা থাকে না, প্রতিটি ধাপের খরচের হিসাব স্পষ্টভাবে দম্পতির সামনে তুলে ধরা হয়।

সন্তান লাভের মিষ্টি অভিজ্ঞতায় ভরিয়ে তুলতে আজই আমাদের অভিজ্ঞ ফার্টিলিটি চিকিৎসকদের সাথে কথা বলুন। আপনার স্বপ্ন পূরণে বিড়লা ফার্টিলিটি অ্যান্ড আইভিএফ সবসময় আপনার পাশে রয়েছে।

বিরলা ফার্টিলিটি অ্যান্ড আইভিএফ-এ রোগীদের অভিজ্ঞতা, কলকাতা