Trust img
Select City

বাল্কি ইউটেরাস ট্রিটমেন্ট

মা হওয়ার স্বপ্ন সব মহিলার কাছেই অত্যন্ত স্মরণীয় বিষয়। কিন্ত শারীরিক সমস্যা অনেক সময় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে, আল্ট্রাসাউন্ড রিপোর্টে বাল্কি ইউটেরাস দেখলে অনেকেই ঘাবড়ে যান। তবে চিন্তার কোনো কারণ নেই, এটি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য। সঠিক সময়ে উন্নত বাল্কি ইউটেরাস ট্রিটমেন্ট শুরু করা ভীষণ জরুরি। এর ফলে আপনার মাতৃত্বের সুন্দর জার্নি অনেক সহজ হয়ে ওঠে। আপনি কি এই সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কষ্ট পাচ্ছেন? হাওড়ায় এখন বিশ্বমানের এবং আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা উপলব্ধ রয়েছে। সঠিক চিকিৎসার সাহায্যে এই রোগ সম্পূর্ণভাবে নিরাময় সম্ভব। ফলস্বরূপ, প্রেগন্যান্সির পথে আর কোনো বড় বাধা থাকে না। চলুন, এই বিষয়ে আরও বিস্তারিতভাবে সব কিছু জেনে নেওয়া যাক।

বিড়লা ফার্টিলিটি এবং আইভিএফ, হাওড়ায় বাল্কি ইউটেরাস চিকিৎসার ধাপ

চিকিৎসার প্রথম ধাপে আমাদের ফার্টিলিটি এক্সপার্টরা আপনার এবং আপনার পার্টনারের বিস্তারিত মেডিকেল হিস্ট্রি অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে শুনবে। আপনাদের বর্তমান সমস্যা এবং ভবিষ্যৎ ফ্যামিলি প্ল্যানিং নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবে।

বাল্কি ইউটেরাস কী?

মহিলাদের রিপ্রোডাক্টিভ সিস্টেমে ইউটেরাস বা জরায়ু একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। সাধারণত একটি সুস্থ ইউটেরাস-এর আকার একটি ছোট নাশপাতির মতো হয়ে থাকে। কিন্তু যখন কোনো অন্তর্নিহিত কারণে ইউটেরাস তার স্বাভাবিক আকারের চেয়ে বড় হয়ে যায়, তখন সেই অবস্থাকে ডাক্তারি পরিভাষায় ‘বাল্কি ইউটেরাস’ বলা হয়। এটি নিজে থেকে কোনো রোগ নয়, বরং এটি শরীরের ভেতরের অন্য কোনো সমস্যার একটি লক্ষণ মাত্র। অনেক মহিলাই তাদের আল্ট্রাসাউন্ড রিপোর্টে এই শব্দটি দেখে বেশ ঘাবড়ে যান। তবে ভয়ের কিছু নেই, এটি একটি সাধারণ সমস্যা এবং সঠিক সময়ে সঠিক ডায়াগনোসিস ও চিকিৎসার মাধ্যমে এর সমাধান করা সম্ভব।

এটি কীভাবে ফার্টিলিটি এবং রিপ্রোডাক্টিভ হেলথ-কে প্রভাবিত করে

মহিলাদের রিপ্রোডাক্টিভ সিস্টেমে ইউটেরাস বা জরায়ু একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। সাধারণত একটি সুস্থ ইউটেরাস-এর আকার একটি ছোট নাশপাতির মতো হয়ে থাকে। কিন্তু যখন কোনো অন্তর্নিহিত কারণে ইউটেরাস তার স্বাভাবিক আকারের চেয়ে বড় হয়ে যায়, তখন সেই অবস্থাকে ডাক্তারি পরিভাষায় ‘বাল্কি ইউটেরাস’ বলা হয়। এটি নিজে থেকে কোনো রোগ নয়, বরং এটি শরীরের ভেতরের অন্য কোনো সমস্যার একটি লক্ষণ মাত্র। অনেক মহিলাই তাদের আল্ট্রাসাউন্ড রিপোর্টে এই শব্দটি দেখে বেশ ঘাবড়ে যান। তবে ভয়ের কিছু নেই, এটি একটি সাধারণ সমস্যা এবং সঠিক সময়ে সঠিক ডায়াগনোসিস ও চিকিৎসার মাধ্যমে এর সমাধান করা সম্ভব।

এটি কীভাবে ফার্টিলিটি এবং রিপ্রোডাক্টিভ হেলথ-কে প্রভাবিত করে

বাল্কি ইউটেরাস একজন মহিলার ফার্টিলিটি বা সন্তান ধারণের ক্ষমতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। ইউটেরাস-এর আকার বড় হয়ে গেলে এবং এর ভেতরের পরিবেশ পরিবর্তিত হলে, ভ্রূণ বা এমব্রায়ো (Embryo) ইমপ্লান্টেশন বা প্রতিস্থাপনে সমস্যা হতে পারে। এর ফলে স্বাভাবিকভাবে প্রেগন্যান্ট হতে অসুবিধা দেখা দেয়। অনেক সময় এই অবস্থার কারণে মিসক্যারেজ বা গর্ভপাত হবার ঝুঁকিও অনেকটা বেড়ে যায়। রিপ্রোডাক্টিভ হেলথ বা প্রজনন স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে এটি পিরিয়ডসের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত বা ক্র্যাম্পের কারণ হতে পারে, যা দৈনন্দিন জীবনকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে এবং শারীরিক দুর্বলতা সৃষ্টি করে।

বাল্কি ইউটেরাস-এর লক্ষণ

এই বাল্কি ইউটেরাসের জন্য বেশ কিছু শারীরিক পরিবর্তন বা লক্ষণ দেখা যায়।

সাধারণ লক্ষণসমূহ

বাল্কি ইউটেরাস-এর লক্ষণ একেক জন মহিলার ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে। কেউ কেউ হয়তো কোনো লক্ষণই বুঝতে পারেন না, আবার অনেকের ক্ষেত্রে তীব্র সমস্যা দেখা দিতে পারে।

  • অতিরিক্ত রক্তপাত: পিরিয়ডসের সময় স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি রক্তপাত হওয়া এবং অনেক দিন ধরে পিরিয়ডস চলা।
  • পেলভিক পেইন: তলপেটে বা পেলভিক এরিয়াতে সবসময় একটি ভারী ভাব, চাপ বা ব্যথা অনুভব করা।
  • ইউরিনারি ফ্রিকোয়েন্সি: বড় হয়ে যাওয়া ইউটেরাস যখন মূত্রাশয় বা ব্লাডারের ওপর চাপ দেয়, তখন ঘন ঘন প্রস্রাব পাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়।
  • ডিসপেরিউনিয়া: সহবাসের সময় ব্যথা অনুভব করা।
  • ব্লোটিং: পেট ফুলে থাকা বা ব্লোটিং অনুভব করা, এবং কোমরের চারপাশের আকার বৃদ্ধি পাওয়া।

কখন আপনার ফার্টিলিটি স্পেশালিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত?

যদি আপনি উপরের লক্ষণগুলির এক বা একাধিক অনুভব করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টার পরেও গর্ভধারণ না হলে, আপনার চিকিৎসার প্রয়োজন। বিশেষ করে যদি আপনার বয়স ৩৫-এর বেশি হয়, অথবা আপনার পিরিয়ডসের ব্যথা স্বাভাবিক জীবনযাপনকে বাধাগ্রস্ত করে, তবে আর দেরি না করে সঠিক গাইডেন্স এবং চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

বাল্কি ইউটেরাসের কারণ এবং ঝুঁকির বিষয়সমুহ

কেন ইউটেরাস স্বাভাবিকের চেয়ে বড় হয়ে যায়? কাদের এই সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

সাধারণ কারণ

বাল্কি ইউটেরাস বিভিন্ন কারণে হতে পারে। এর পেছনে প্রধান কয়েকটি কারণ হলো:

  • ফাইব্রয়েডস (Fibroids): ইউটেরাস-এর দেওয়ালে গড়ে ওঠা নন-ক্যান্সারাস বা বিনাইন টিউমার। এই ফাইব্রয়েডগুলির আকার যখন বড় হতে থাকে, তখন ইউটেরাস-ও সাইজে বড় হয়ে যায়।
  • অ্যাডেনোমায়োসিস (Adenomyosis): এই অবস্থায় ইউটেরাস-এর ভেতরের লাইনিং (এন্ডোমেট্রিয়াম) ইউটেরাস-এর পেশির (মায়োমেট্রিয়াম) ভেতরে অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করে। এর ফলে ইউটেরাস-এর দেওয়াল মোটা হয়ে যায় এবং এটি আকার ভারি হয়ে যায়।
  • পিসিওএস (PCOS): পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম মহিলাদের শরীরে হরমোনাল ইমব্যালেন্স বা হরমোনের ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করে, যার প্রভাব ইউটেরাস-এর ওপর পড়তে পারে এবং এর আকার বৃদ্ধি পেতে পারে।

যে বিষয়গুলি ঝুঁকি বাড়ায়

কিছু নির্দিষ্ট বিষয় বাল্কি ইউটেরাস হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়, যেমন:

  • হরমোনের তারতম্য: শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাইব্রয়েড এবং অ্যাডেনোমায়োসিস হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
  • ওবেসিটি বা অতিরিক্ত ওজন: ওজন বেশি হলে শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, যা ইউটেরাস-এর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
  • ফ্যামিলি হিস্ট্রি: আপনার পরিবারে যদি মা বা বোনের ফাইব্রয়েড বা ইউটেরাস সম্পর্কিত কোনো সমস্যা থেকে থাকে, তবে আপনারও এই সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।

বাল্কি ইউটেরাস ডায়াগনোসিস

সঠিক চিকিৎসার সাহায্যে রোগের মূল কারণ নির্ণয় করা যায়।

ফিজিক্যাল এক্সামিনেশন

এর মাধ্যমে চিকিৎসকেকরা সহজেই যাচাই করতে পারবেন ইউটেরাস-এর আকার স্বাভাবিকের চেয়ে বড় হয়েছে কি না, অথবা তলপেটে কোনো লাম্প বা অস্বাভাবিকতা আছে কি না।

ডায়াগনস্টিক টেস্ট

যদি ফিজিক্যাল টেস্টে কিছু ধরা না পরলে ডাক্তারবাবু আপনাকে কিছু অ্যাডভান্সড টেস্ট করার পরামর্শ দিতে পারেন:

  • পেলভিক আল্ট্রাসাউন্ড (Pelvic Ultrasound): এটি সবচেয়ে সাধারণ এবং ব্যথামুক্ত একটি টেস্ট। সাউন্ড ওয়েভের মাধ্যমে ইউটেরাস-এর একটি স্পষ্ট ছবি তোলাহয়, যা থেকে ফাইব্রয়েড বা অ্যাডেনোমায়োসিস খুব সহজেই ধরা পড়ে।
  • এমআরআই (MRI): অনেক সময় আল্ট্রাসাউন্ডে সবকিছু পরিষ্কার না হলে বা সার্জারির প্রয়োজন হলে, আরও বিস্তারিত ইমেজিং-এর জন্য পেলভিক এমআরআই করানো হয়।
  • হিস্টেরোস্কোপি (Hysteroscopy): একটি ছোট, পাতলা ক্যামেরার মাধ্যমে ইউটেরাস-এর ভেতরটা সরাসরি পরীক্ষা করা হয়।

ফার্টিলিটি ইভ্যালুয়েশন

বাল্কি ইউটেরাস যদি আপনার প্রেগন্যান্সি জার্নিতে বাধা সৃষ্টি করে, তবে ডাক্তার আপনার ওভারিয়ান রিজার্ভ (Ovarian Reserve) অর্থাৎ ডিম্বাণুর সংখ্যা এবং মান, এবং ফ্যালোপিয়ান টিউব (Fallopian Tubes) খোলা আছে কি না তা চেক করার জন্য কিছু স্পেশাল ফার্টিলিটি টেস্ট দিতে পারেন।

চিকিৎসার জন্য কেন বেছে নেবেন বিরলা ফার্টিলিটি অ্যান্ড আইভিএফ? হাওড়া

পরিবার গঠনের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে সঠিক ফার্টিলিটি ক্লিনিক নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। Birla Fertility & IVF-এ আমরা ব্যক্তিগতকৃত (Personalized Care) চিকিৎসা পরিষেবার মাধ্যমে অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে প্রতিটি ধাপে আপনাকে সহায়তা করি। আমাদের অত্যাধুনিক ল্যাব, উন্নত প্রযুক্তি এবং উচ্চ সাফল্যের হারের ফলে ২,৩০,০০০-এরও বেশি রোগীকে অভিভাবক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে সাহায্য করেছি।

বাল্কি ইউটেরাস ইন হাওড়া

হাওড়ায় এখন এই সমস্যার অনেক উন্নত এবং কার্যকরী চিকিৎসা উপলব্ধ রয়েছে। আপনার বয়স এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ডাক্তাররা বিভিন্ন আধুনিক পদ্ধতিতে আপনার সমস্যার সমাধান করেন।

উপলব্ধ চিকিৎসার বিকল্পসমূহ

হাওড়ায় বাল্কি ইউটেরাস ট্রিটমেন্ট এখন অত্যন্ত উন্নত এবং আধুনিক। রোগীর বয়স, তার লক্ষণগুলির তীব্রতা, এবং তিনি ভবিষ্যতে সন্তান ধারণ করতে চান কি না, এই সবকিছুর ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসার বিকল্পগুলি নির্ধারণ করা হয়।

মেডিকেল ম্যানেজমেন্ট

প্রাথমিক পর্যায়ে এবং লক্ষণগুলি খুব বেশি তীব্র না হলে, হরমোনাল থেরাপি বা ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। এর মধ্যে বার্থ কন্ট্রোল পিলস বা প্রোজেস্টিন-রিলিজিং আইইউডি (IUD) অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এই ওষুধগুলি অতিরিক্ত রক্তপাত এবং ব্যথা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে, যদিও এগুলি ইউটেরাস-এর আকার স্থায়ীভাবে কমায় না।

মিনিমালি ইনভেসিভ প্রসিডিওর

ওষুধে কাজ না হলে বা ফাইব্রয়েড বড় থাকলে মিনিমালি ইনভেসিভ সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে। মায়োমেকটমি (Myomectomy) করে শুধু ফাইব্রয়েড বের করে আনা হতে পারে যাতে ইউটেরাস ঠিক থাকে। এছাড়া ইউটেরাইন আর্টারি এম্বোলাইজেশন (UAE) নামক পদ্ধতির মাধ্যমে ফাইব্রয়েডে রক্ত চলাচল বন্ধ করে সেগুলিকে ছোট করা হয়।

অ্যাসিস্টেড রিপ্রোডাক্টিভ ট্রিটমেন্ট

যাঁরা বাল্কি ইউটেরাস-এর কারণে ইনফার্টিলিটির সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য অ্যাসিস্টেড রিপ্রোডাক্টিভ ট্রিটমেন্ট (ART) অত্যন্ত কার্যকরী। অবস্থার ওপর ভিত্তি করে ডাক্তাররা আইভিএফ (IVF), আইইউআই (IUI), বা ইক্সি (ICSI)-এর মতো উন্নত পদ্ধতির সাহায্যে প্রেগন্যান্সির সফলতার হার অনেকটাই বাড়িয়ে দেন।

প্রাথমিক রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার সুবিধা

যেকোনো রোগের মতোই, এই সমস্যার ক্ষেত্রেও শুরুতে রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা শুরু করলে শারীরিক ও মানসিক নানা জটিলতা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

উন্নত ফার্টিলিটি ফলাফল

দ্রুত রোগ নির্ণয় হলে এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করা গেলে ফার্টিলিটি ট্রিটমেন্ট অনেক বেশি সফল হয়। ইউটেরাস-এর ভেতরের পরিবেশ উন্নত করে প্রেগন্যান্ট হওয়ার এবং একটি সুস্থ শিশুর জন্ম দেওয়ার সুযোগ কয়েক গুণ বেড়ে যায়।

ভালো দীর্ঘমেয়াদী রিপ্রোডাক্টিভ হেলথ

বাল্কি ইউটেরাস ট্রিটমেন্ট ঠিক সময়ে শুরু করলে সম্পূর্ণ রিপ্রোডাক্টিভ সিস্টেম সুস্থ থাকে। এর ফলে পিরিয়ডসের ব্যথা, অতিরিক্ত রক্তপাত বা মেনোপজ পর্যন্ত বিভিন্ন গাইনোকোলজিক্যাল সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায় এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়।

জটিলতার ঝুঁকি হ্রাস

এই অবস্থার চিকিৎসা অবহেলা করলে দীর্ঘমেয়াদী অতিরিক্ত রক্তপাতের কারণে মারাত্মক অ্যানিমিয়া হতে পারে। এছাড়া প্রেগন্যান্সির সময় প্রি-ম্যাচিউর ডেলিভারি বা মিসক্যারেজের মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই আগে থেকে চিকিৎসা করালে এই ঝুঁকিগুলি সহজেই এড়ানো সম্ভব।

হাওড়ায় বাল্কি ইউটেরাস চিকিৎসার জন্য বিড়লা ফার্টিলিটি কেন বেছে নেবেন?

আপনি যদি হাওড়ায় একটি নির্ভরযোগ্য এবং বিশ্বস্ত ফার্টিলিটি ক্লিনিকের খোঁজ করেন, তবে নিঃসন্দেহে আমাদের ওপর ভরসা রাখতে পারেন। এখানে হাওড়ায় বাল্কি ইউটেরাস ট্রিটমেন্টের খরচ বেশ সাশ্রয়ী এবং পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করা হয়।

অভিজ্ঞ ফার্টিলিটি স্পেশালিস্ট

আমাদের সেন্টারে রয়েছেন অত্যন্ত দক্ষ এবং অভিজ্ঞ ফার্টিলিটি স্পেশালিস্টদের একটি বিশেষ টিম। তাঁরা আপনার মেডিকেল কন্ডিশন নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করে আপনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত চিকিৎসার পরামর্শ দেন।

উন্নত ডায়াগনস্টিক প্রযুক্তি

যেকোনো সফল চিকিৎসার পূর্বশর্ত হলো নির্ভুল ডায়াগনোসিস। আমাদের ক্লিনিকে রয়েছে সব লেটেস্ট এবং অ্যাডভান্সড ডায়াগনস্টিক ইকুইপমেন্ট এবং ইমেজিং প্রযুক্তি, যা সূক্ষ্ম থেকে সূক্ষ্মতর সমস্যা ধরতেও সক্ষম।

এভিডেন্স-বেসড ট্রিটমেন্ট প্রোটোকল

আমরা সর্বদা আন্তর্জাতিক মানের এবং এভিডেন্স-বেসড মেডিকেল প্রোটোকল মেনে চলি। এর ফলে প্রতিটি রোগীর জন্য নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য এবং সর্বোত্তম ফলাফল নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

অত্যাধুনিক আইভিএফ ল্যাবরেটরি

যাঁদের আইভিএফ বা অন্যান্য অ্যাডভান্সড ফার্টিলিটি ট্রিটমেন্টের প্রয়োজন, তাঁদের জন্য আমাদের রয়েছে অত্যাধুনিক আইভিএফ ল্যাবরেটরি। এখানে স্ট্রিক্ট কোয়ালিটি কন্ট্রোল এবং লেটেস্ট টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।

পার্সোনালাইজড ফার্টিলিটি কেয়ার

আমরা বিশ্বাস করি প্রত্যেক রোগীর শরীর, এবং সমস্যা আলাদা। তাই আমরা “ওয়ান-সাইজ-ফিটস-অল” নীতিতে বিশ্বাস করি না। প্রতিটি রোগীর শারীরিক ও ইমোশনাল প্রয়োজন বুঝে আমরা একটি পার্সোনালাইজড ফার্টিলিটি কেয়ার প্ল্যান তৈরি করি।

আপনার কনসালটেশনের জন্য প্রস্তুতি

প্রথমবার আমাদের ক্লিনিকে আসার আগে কিছু প্রস্তুতি নিয়ে রাখলে আপনার কনসালটেশন এবং চিকিৎসা প্রক্রিয়াটি অনেক বেশি মসৃণ ও সহজ হয়ে ওঠে।

মেডিকেল রেকর্ডগুলি আনতে হবে

ডাক্তারের সাথে প্রথম কনসালটেশনের দিন আপনার পুরনো সমস্ত মেডিকেল রিপোর্ট, প্রেসক্রিপশন, এবং যদি আগে কোনো চিকিৎসা হয়ে থাকে তার কাগজপত্র অবশ্যই একটি ফোল্ডারে গুছিয়ে সাথে নিয়ে আসবেন।

প্রয়োজনীয় ডায়াগনস্টিক রিপোর্ট

যদি আপনি আগে কোনো পেলভিক আল্ট্রাসাউন্ড, হরমোন টেস্ট বা বেসিক ব্লাড টেস্ট করে থাকেন, তবে সেই রিপোর্টগুলি সাথে রাখা খুব জরুরি। এতে ডাক্তারের পক্ষে আপনার কন্ডিশন বুঝতে সুবিধা হবে এবং অকারণে একই টেস্ট বারবার করতে হবে না।

যে প্রশ্নগুলি জিজ্ঞাসা করবেন

কনসালটেশনের সময় আপনার মনে থাকা সব প্রশ্ন নিঃসংকোচে করুন। যেমন:

  • আমার বাল্কি ইউটেরাস হওয়ার পেছনের মূল কারণ কী?
  • এই অবস্থাটি আমার স্বাভাবিক প্রেগন্যান্সি বা আইভিএফ সাইকেলকে কতটা প্রভাবিত করবে?
  • আমার লাইফস্টাইল বা বয়সের কথা মাথায় রেখে সবচেয়ে ভালো চিকিৎসার বিকল্প কোনটি?
  • এখানে হাওড়ায় বাল্কি ইউটেরাস ট্রিটমেন্টের খরচ কেমন হতে পারে এবং এর মধ্যে কী কী অন্তর্ভুক্ত থাকবে?

বিরলা ফার্টিলিটি অ্যান্ড আইভিএফ-এ রোগীদের অভিজ্ঞতা, হাওড়া